LoveVanessaRayLoveVanessaRay
KassandraKatKassandraKat
BelaCarterBelaCarter
MissteriousMeMissteriousMe
AliceRicciAliceRicci
SaraRosiiSaraRosii
sofiadavieessofiadaviees
Swipe to see who's online now!

শুধু তোমায় চাই

Story Info
দুহাতে মাযের নধর শরীরটা জড়িয়ে ধরে গালে চুমু খেতে খেতে বয়সকা
7k words
4.69
6.9k
1
Story does not have any rosa-blanca.ru
Share this Story

Font Size

Default Font Size

Font Spacing

Default Font Spacing

Font Face

Default Font Face

Reading Theme

Default Theme (White)
You need to Log In or Sign Up to have your customization saved in your Literotica profile.
PUBLIC BETA

Note: You can change font size, font face, and turn on dark mode by clicking the "A" icon tab in the Story Info Box.

You can temporarily switch back to a Classic Literotica® experience during our ongoing public Beta testing. Please consider leaving feedback on issues you experience or suggest improvements.

Click here

সুধা সেদিন প্রথম প্রথম রমার কথা বিশ্বাস করতে পারেনি কিন্তু নিজের জীবনে গতকাল ঘটে যাওয়া সত্যিটাকে কী করে অস্বীকার করবে? প্রথমে কাজের লোক রমার কথাটা জানা যাক। ইদানিং প্রায়ই রমাকে কেমন যেন উচ্ছল লাগছিল একদিন তো থাকতে না পেরে জিজ্ঞাসা করে বসল প্রায় ৫৫র কাছাকাছি বয়সে কী এমন হলো যে ওর হাবভাব কেমন কেমন মনে হচ্ছে অথচ শরীরটা ক্লান্ত ক্লান্ত লাগে ভাবতে ইচ্ছা না করলেও নতুন বিয়ের পর প্রতি রাতে ব্যাটাছেলের ঘন ঘন গাদন খেলে মেয়েরা যেমন এলিয়ে পড়ে। এমনিতে দেখতে খারাপ নয় বুক দুটো উনার মত অত বড় না হলেও বেশ ভাল সাইজের পাছাও বেশ লদলদে যে কোনো ব্যাটাছেলেকে বিছানায় ভালই সুখ দেবে। বস্তি মতো যেখানে থাকে এই বয়সেও ব্যাটাছেলের কামনার দৃষ্টি এড়াতে পারবে না। বার বার ওর এই ঢলানি চাল চলনের কারণটা জানবার জন্য চেপে ধরতে যা বলল উনার সারা শরীর ঝন ঝন করে উঠল। এমনি বিশ্বাস করে সব কথাই বলে কিন্তু এই ব্যাপারটা বলার আগে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলো। ঘটনাটা হলো রমার ছেলে ইদানিং এক কম্পানিতে যোগ দিয়েছে প্রায় রাতে ড্রিংক করে বাড়িতে ফেরে রমার কাছে এটা স্বাভাবিক। ড্রিংক করে আসাটা ওদের পাড়ায় কোনো ব্যাপার নয় এই পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু কিছুদিন হলো বাড়ি ফিরে নিজের মাযের পুরুষ্টু মেয়েলি শরীরটা জড়িয়ে ধরে অসভ্য আদর শুরু করেছে এ আদর করার ধরনটা অন্যরকমের রমা সেটা ভালই বুঝতে পারে। দরজা বন্ধ্য করেই দুহাতে মাযের নধর শরীরটা জড়িয়ে ধরে গালে চুমু খেতে খেতে বয়সকা মাযের পান খাওয়া রসালো ঠোঁটে ঠোঁট মিশিয়ে আদর করতে থাকে রমা ছেলের মাথার চুলে হাত বুলিয়ে

সস্নেহে নিজেকে আলাদা করার চেষ্টা করে "এই ইদানিং প্রায় দেখছি রাতে ওসব খেয়ে এসে আমাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে অসভ্যর মতো আদর করা শুরু করেছিস ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে চুমু খাচ্ছিস তোর ব্যাপারটা কী"? রঘু মাযের শরীরটাকে আরও কাছে নিয়ে বুকের মধ্যে চেপে ধরে। মাযের ব্লাউজ শাড়িতে ঢাকা বড়ো ড়াবের মতো মাংসল দুদু দুটো ওর বুকের মধ্যে কী সুন্দর চাপ খাচ্ছে কী ভীষণ আরাম লাগছে "তোমাকে এভাবে জড়িয়ে ধরে কিস করতে ভীষণ ভালো লাগে, ছাড়তেই ইচ্ছা করে না, ইচ্ছে করে অনেকখন এভাবে কিস করি" ছেলের পুরুষালী দেহের স্পর্শ, বিশেষ করে খুব কাছে জড়িয়ে ধরার ফলে জওয়ান ছেলের জিনিসটা তলপেটের ওপর ঘষাঘষি হয় সেটা সারা শরীরে শিহরণ তোলে। বয়সকা মাযের ডাসালো নরম শরীরটার ছোয়া পাবার ইছাটা ছেলের বাড়তে থাকে। বয়সকা মাযের ভারী দুধ গুলো ওর রোমশ বুকে যত চাপ খায় ওর ততো আরাম লাগে মদের নেশায আর রঙিন হয়ে ওঠে।পাজামার নিচে ছেলের ফুলে ওঠা লিঙ্গটা বার বার শাড়ির ওপর থেকে তলপেটের নিচে, থাইয়ে চাপ খাচ্ছে অনেকদিন পুরুষ মানুষের ছোয়া না পাওয়ায় এই ঘষাঘষিতে রমার সারা শরীর আবেশে ভরে যায়। ছেলের শরীরের কাছে ঘন হয়ে আসে "দুষ্টু ছেলে ভালো লাগলেই সব কিছু করতে নেই" রঘু মাযের ভরন্ত শরীরটা কে কাছে টেনে নিয়ে আবার ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে চুমু খায় "এই ভাবে মা কে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে চুমু খাচ্ছিস লোকে জানলে কী বলবে?" "ঘরের মধ্যে আমি তো

তোমাকে অনেকদিন ধরেই জড়িয়ে ধরে আদর করি তোমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। বাইরের লোক সেটা জানবেই বা কী করে, আর বলতে বা যাবেই কেন? আমার আদর তোমার যদি ভালো না লাগে তাহলে বলো? তোমারও ভালো লাগে নিশ্চই তোমার ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে চুষি যখন তুমি আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে আদর করো গংগাতে থাকো, আমি বুঝি তোমার ভালো লাগছে, ঘরের মধ্যে আমরা পরস্পরকে এভাবে জড়িয়ে ধরে আদর করলে যদি আমাদের দুজনের ভালো লাগে তাতে কার কী বলার আছে?" কথাটা বলে রঘু রমাকে একহাতে জড়িয়ে ধরে অন্য হাতের থাবাটা বয়সকা মাযের শাড়িতে ঢাকা বিরাট গোলাকার স্তনে আলতো করে হাত রাখে রমার জিভ শুকিয়ে আসে ছেলের মুখটা নেমে আসে মাযের কানের কাছে "তোমায় কাছে পেলেই খুব ভালোবাসতে ইচ্ছা করে তুমি চাও না তোমার ভীষণ বড়ো দুদু দুটোয় আমি আদর করে দিই" "অসভ্য লখীটি এরকম করে না আমার দুধের ওপর থেকে হাত সরা তোর ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে চুমু খাওয়া দেখেই বুঝেছি তুই আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার কাছে কী আরাম পেতে চাস" রঘু মাযের বড়ো দুধের ওপর থেকে হাত সরানো তো দূরে থাক মাংসল স্তনটা আরামদায়ক মোচড় দিয়ে মাযের শরীরটাকে আর কাছে টেনে নেয় "তোমায় খুব ভালোবাসতে ইচ্ছে করছে" রমার সারা শরীর কাঁপতে থাকে উফ্ফ কতদিন পর ব্যাটাছেলের হাতে স্তনমর্দনের সুখ অনুভব করে বাধা দেবার শক্তি হারিয়ে ফেলে ছেলের বুকের মধ্যে মুখ ঘোষতে থাকে "উমম দুষ্টু ছেলে মাযের সাথে এসব করতে

নেই" "আর মা যদি চায় জওয়ান ছেলে মাযের বড়ো দুদু ধরে আদর করুক মা কে সুখ দিক তাহলে? রঘু কথাটা বলে মাযের টস টসে ঠোঁটে ঠোঁট বুলায় "আমায় ছোটবেলার মত তোমার ব্লাউজ খুলিয়ে দুদু খাওয়াবে? "উমম অসভ্য" মনে মনে ভাবেন এখন শুধু দুদু খেয়ে আমার জওয়ান ছেলের মন ভোরবে না, "তোকে নিয়ে ব্লাউজ খুলে বিছানায় গেলে আমার এততো বড়ো সাইজের ঝুলন্ত দুদু মুখের সামনে পেলে তুই নিজেকে ঠিক রাখতে পারবি না" "কেনো কী কোরবো বলে তোমার মনে হয়?" রঘুর হাতের থাবাটা আয়েশ করে মাযের বিশাল চুচিটা টিপতে থাকে "যাহ আমি তা মুখে বলতে পারবো নাহ, উমম হ দুষ্টু ছেলে অনেক হয়েছে আমার দুদু থেকে হাত সরা" "না তোমাকে বলতেই হবে ব্লাউজ খুলে আমার সাথে শুলে আমি তোমায় কী কোরবো? রঘুর ফুলে ওঠা জিনিসটা মাযের নরম তলপেটের নিচে চেপে ধরে কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে বলে "তুমি বলতে লজ্জ্বা পাচ্ছ, জানো অনেকেই প্রশ্ন করে আমি প্রেম করি কী না? তাদের বলতে পারিনি আমার প্রেমিকা আমার ঘরেই আছে। তোমাকে প্রথম দিন চুমু খাবার পর তুমিও আমাকে চুমু খেয়েছিলে মনে আছে? সেদিন তোমাকে কত সময় ধরে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম তোমার মনে পড়ছে? সেদিন থেকে ঠিক করেছিলাম প্রতিদিন তোমায় এমন ভাবে জড়িয়ে ধরে সেক্সি কিস করতে করতে আদর কোরবো যে একদিন তুমি ঠিক আমার কাছে ধরা দেবে" তাই বুঝি আজ মাযের বড়ো দুদূতে হাত দিয়ে এখনো কত টাইট আছে সেটা পরখ করা হচ্ছে?

"না, স্নান করার পর আমি তোমায় অনেকবার শুধু সায়া পড়া অবস্থায় দেখেছি তোমার দুধ দুটো সাইজে বেশ বড়ো হলেও বয়স অনুপাতে খাড়া খাড়া আছে। আমার অনেকদিনের স্বপ্ন তুমি ব্লাউজ খুলে নিচে কিছু না পড়ে আমার সাথে শোবে" নিজেকেই বলে ওঠেন "এই না ইস্স মাগো হ আমাকে ওভাবে কোলের কাছে নিয়ে আমার দুদূতে মুখ দিয়ে শুলে তুই আমাকে পাবার জন্য পাগল হয়ে উঠবি" "এটা কখন থেকে আমার তলপেটের নিচে ঘষা খাচ্ছে তখন থেকেই আমি তোর মনের কথাটা ঠিক বুঝতে পেরেছি বিছানায় আমাকে পেলে অস্থির হয়ে উঠবি" ছেলের হাতের থাবার নিচে মাযের বড়ো দুধ বেশ জোরে পেষাই চলছে আরামে রমার শরীরটা ছেলের শরীরে মিশে যেতে থাকে "উমম হ নাহ লখীটি মা কে এভাবে জড়িয়ে ধরে দুদু টেপা টেপি করতে নেই ইস্স কেউ জানতে পারলে লজ্জ্বার শেষ থাকবে না" রঘু মাযের শরীরটা এক হাতে নিজের শরীরে জড়িয়ে চেপে ধরে অন্য হাতে শাড়ির তলা দিয়ে বয়সকা মাযের ভীষণ বড়ো মাংসল দুধের ভাণ্ড আলতো মোচড় দিয়ে আদর করতে করতে ঠোঁটটা নামিয়ে আনে মাযের রসালো টস টসে ঠোঁটের উপর। রঘুর গলাটা দুহাতে জড়িয়ে ধরে বলেন "উমম না হ সোনা অনেক আদর হয়ে গেছে এবার আমায় ছাড় প্লিস" "আজকে ছাড়া পাবে যখন আমার তেষটা মিটবে" "তার মানে?" ঘরের মধ্যে যখন ঘোরাফেরা করো তোমার শাড়ির

নিচে ব্লাউজ সমেত দুধ দুটো থোরাক থোরাক করে নড়তে থাকে, সব সময় ইচ্ছে করে তোমায় জড়িয়ে ধরে দুদূতে মুখ দিয়ে আদর করি। দরজা বন্ধ্য থাকলে ভালভাবেই জানো যদি তোমাকে ব্লাউজ খুলিয়ে সারারাত জড়িয়ে ধরে শুয়ে তোমার দুদু চূষলেও কেউ জানতে পারবে না আর আমরা দুজন কেউ এত বোকা নই যে বন্ধ্য ঘরে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে আদর করি সেটা কাউকে বলে বেড়াবো" রঘুর হাত ব্লাউজ এর পিঠের দিকে বোলাতেই বুঝতে পারে বয়সকা মাযের ব্লাউজ এর নিচে ব্রা নেই ব্লাউজ এর বোতাম গুল খুললেই মাযের বৃহত্‍ গোলাকার চুচি দুটো মনের সুখে চটকাতে পারবে। শাড়িটা টেনে নিচে নামিয়ে দেয় লাল ব্লাউজ এর ভেতর রমার বুকের মাংসল পাহাড় দুটো ঠেলে বেরিয়ে আস্তে চায় এক হাতে রমার মেয়েলি ভরন্ত শরীর টা কাছে টেনে নিয়ে অন্য হাতে বোতাম গুলো পটাপট খুলতে থাকে "এই অসভ্য না ব্লাউজ খুলিস না প্লিস লখীটি আমার নিচে কিচ্ছু পড়া নেই" "একদম চুপ করে থাকো আজ তোমায় বিছানায় ফেলে আদর করবো, জোরাজুরি করে লাভ নেই ব্লাউজটা ছিড়ে যাবে" রমার একটা হাত টেনে নিয়ে পাজামার তলায় ফুলে ওঠা নিজের পুরুষাঙ্গটা ধরিয়ে দিয়ে বলে "হাত দিয়ে দ্যাখো তোমায় জড়িয়ে ধরে আদর শুরু করলেই আমার ডান্ডাটা কী রকম খাড়া হয়ে তোমাকে কাছে পেতে চায়" ছেলে জোর করে নিজের শক্ত লিঙ্গটা মাযের হাতে ধরালেও কেন যেনো রমা হাতের মুঠোর মধ্যে লিঙ্গটা থেকে সরাতে পারে না

আলতো করে চেপে ধরে থাকে ব্লাউজ টা সরে গিয়ে রমার বড়ো কালো বোঁটা সমেত বৃহত্‍ স্তনভার দুটো উন্মুক্ত হয়ে যায় রঘুর মুখটা রমার স্তনের খাঞ্জে নেমে আসে ছেলের মাথাটা আলতো করে নিজের স্তনে চেপে ধরে আবেশে চোখ বুজে আসে "উমম আমার দস্যু ছেলে মাযের দুদু খাবার জন্য পাগল হয়ে উঠেছে, ইস্স আমি এখন কী করবো?" "পাজামার দড়ি খুলে আমার ডান্ডাটা ধরে মেয়েরা ব্যাটাছেলেদেরটা যেমন খিচে খিচে আদর করে দেয় তেমনি আমারটা আদর করে দাও" "ওহ মাহ আমার লজ্জ্বা করছে" রমা ছেলের মাথাটা নিজের ফর্সা স্তনের পাহাড়ে চেপে ধরে রঘু একটানে পাজামার দড়ি খুলে দিয়ে নিচে নামিয়ে দেয় মাযের হাতটা ওর উদ্যত খাড়া ধোনটা ধরিয়ে দিয়ে বলে "অনেক দিন উপোস আছো এটা ধরে আদর করলে তোমার ভালই লাগবে, আমি কিছুখন তোমার দুদু চুষে খাই" খোলা স্তনের বোঁটায় ছেলের তৃষ্ণার্ত ঠোঁট পড়তেই সারা শরীর কেপে ওঠে 'উমম না হ দস্যু ছেলে ছাড় আমায় অতো জোরে কামড়াস না মাযের লাগে না বুঝি?" "এবার থেকে প্রতি রাতে ব্লাউজ শাড়ি খুলে শুধু শায়া পড়ে আমার কাছে শোবে আর আমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করবে" "ইস্স আমার বয়েই গেছে প্রথম দিনেই আমার দুদু দুটো কী জোরে চুষে চলেছিস সারা শরীর অবশ হয়ে আসছে উমম ছাড় আমায়" রমা ছেলের কদবেলের মতো ঝুলন্ত বীচি দুটো আরামদায়ক টেপন দিতে থাকে "হ্যা ঠিক

এইভাবে বীচিদুটো টিপতে থাকো উফ্ফ খুব আরাম লাগছে" রঘু মাযের নগ্ন স্তনের পাহাড়ে মুখ ঘোষতে থাকে "এই সোনা আজ এই যথেষ্ট অনেকক্ষণ মাযের দুদু চুষে খেয়েছিস এবার ছাড় লখীটি, একটা ভালো মেয়ে দেখে তোর বিয়ে দিয়ে দেবো তাহলে আমাকে এভাবে ঘরের মধ্যে জড়িয়ে ধরে ব্লাউজ খুলে দুদু চূষবার জন্য ছটফট করবি না। রঘু দু হাতে রমাকে জড়িয়ে ধরে মাযের প্রকাণ্ড স্তনে চুমু খেতে খেতে ফিস ফিস করে বলে "আমার এরকম বড়ো বড়ো সাইজের দুদুওলা সেক্সি মা ঘরে থাকতে অন্য কাউকে লাগবে না। তোমার দুদুর স্বাদই আলাদা নিজে না খেলে বুঝবে কী করে?" "ও মাহ আর কোনও মেয়ের দুধ চুষেছিস নাকি? অসভ্য আমি ভাবলাম আমিই প্রথম" অভিমানে গলার স্বর ধরে আসে "এই সর আর মাযের দুদু খেতে হবে না সেইখানেই যা" চোখের সামনে বয়সকা মাযের ঝুলন্ত ভারী স্তনদুটো পাহাড়ের মত দুলছে রঘুর সারা শরীর উত্তেজনায় কাপতে থাকে দু হাতে মাযের মেয়েলি শরীরটাকে জড়িয়ে ধরে মাযের শরীরের স্বাদ নিতে থাকে। "কতদিন থেকে তোমাকে জড়িয়ে ধরে তোমার দুদূতে মুখ ডুবিয়ে তোমার দুধ খাবো ভেবে ছটফট করেছি, কত রাত ভেবেছি তোমার বিছানায় গিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাই আর বলি মামনি তোমাকে কাছে না পেলে থাকতে পারছি না, রাতে ঘুম আসে না চোখের সামনে ভাসে তুমি ঘোরাফেরা করছো শাড়িতে ঢাকা তোমার বিরাট চুচি দুটো যেন আমায় ডাকছে বলছে "নিজের মাযের এত্ত বড়ো

বড়ো দুদু থাকতে মনে কষ্ট নিয়ে থাকবি কেন? একবার সাহস করে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে মা কে চুমু খা শাড়ির ওপর থেকেই মাযের বড়ো দুধের পাহাড়ে মুখ ঠেসে ধরে আদর কর শাড়ির ওপর থেকে মাযের নরম তলপেটে নিজের মোটা জিনিসটা ঘষাঘষি কর বয়সকা মা ও থাকতে না পেরে তোকে জড়িয়ে ধরবে, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম ব্লাউজ খুলিয়ে নিজের মাযের বড়কা দুদুর স্বাদ নেওয়ার আগে কোনও মেয়ের গায়ে হাত দোব না" "ওহ মাহ তাই নাকি? ছেলের মাথাটা নিজের নগ্ন মাংসল স্তনের পাহাড়ে চেপে ধরে সস্নেহে আদর করে দেন। "পাল্টা পাল্টি করে চোষ সোনা, আজ থেকে আমরা এক বিছানায় তোকে স্বামীর মতো জড়িয়ে ধরে শোব ঠিক তুই যেমনটি আমাকে নিয়ে শুবি ভাবতিষ" মনে মনে জানেন মাযের নরম মেয়েলি শরীরটা বিছানায় পেলে ছেলে মা কে কী কী করতে চাইবে কিন্তু এখন ফিরে যাবার রাস্তা নেই বরং জওয়ান ছেলেকে আস্তে আস্তে নিজের মেয়েলি শরীরের নিশিধ্য স্বাদের নেশা ধরাতে হবে। ছেলের কোমরের নিচে রমার হাতটা নেমে আসে হাতের মুঠোর মধ্যে চামড়ার লিঙ্গটা ধরে মুংডিটার চারপাশে আদর করেন "মাযের দুদু খাবার পর এটার তো খিদে পাবে সেটার কী হবে?" "আমার মামনি জানে নিজের ছেলের খিদে কী ভাবে মেটাতে হয়" ছেলেকে দু হাতে নিজের খোলা স্তনের খাঞ্জে চেপে জড়িয়ে ধরে ফিস ফিস করে ছেলের কানে বলেন "উমম না

এত মোটা রডটা আমার ভেতরে দিস না প্লিস ওটা বাদ দিয়ে যা কিছু করতে চাস আমি সেভাবে তোকে আদর করে দেবো" ব্যাটাছেলের ধোন অনেকবার মুখে নিয়ে রমা চুসেছে ছেলে যদি চায় সে আরাম দিতে আপত্তি নেই কিংবা অনেকের সখ থাকে বয়সকা মেয়েছেলেদের পেছণ থেকে আদর করার জওয়ান ছেলে মাযের ভারী পাচ্ছার ভেতরে সুখ পেলে তাও ঠিক আছে প্রথমে একটু লাগবে ও সামলে নেওয়া যাবে। কিন্তু বয়সকা মাযের রসে ভেজা ত্রিভুজের স্বাদ পেলে ছেলে তখন প্রতি সময়, দিনে রাতে যখনই ইচ্ছা হবে মা কে বিছানায় ঠেসে ধরে মাযের মেয়েলি নধর শরীরটার স্বাদ নেবে। রঘু মাযের ডবকা দুদু দুটোয চুমু খেতে খেতে বলে "আমার ব্যাটাছেলের যন্তর তোমার পছন্দ হয়েছে?" "যাহ অসভ্য যা তেতে উঠেছে আমার আঙুলে ছ্যাকা লাগছে" রাতে বউয়ের মতো শুধু শায়া পড়ে আমার কাছে শোবে আর আমি তোমাকে কাছে পেয়ে এমনি এমনি ছেড়ে দেবো?" "ওহ মাহ কী করবি আমায়" রমা ভয় পাবার ভান করেন রঘু মাযের ফর্সা কাঁধে মুখ ঘষে মাযের বড়ো দুদু দুটো শাড়ি সমেত ওর লোমশ বুকের নিচে পিষে যায় বিশাল দুদুর নরম ছোয়ায় সারা শরীরটা রিমঝিম করে ওঠে। বয়সকা মাকে বুকের মধ্যে ঠেসে ধরে। "তোমার ভেতরে আমারটা ঢুকিয়ে দিয়ে বউয়ের মতো জড়িয়ে ধরে আদর কোরবো" "ওহ মাগো" উত্তেজনায় রমার গোপন গর্তটা রসে ভিজে ওঠে হাতে ধরা ছেলের লিঙ্গটার মাথার চামড়াটা ওঠা নামা করতে থাকে মাযের নরম হাতের

মুঠোর মধ্যে, ভালোবাসার আদরে ছেলের মাযের ফর্সা কাঁধে মুখ ঘোষতে থাকে "আজ তোমাকে বিছানায় ফেলে না চুদে আমি থাকতে পারব না" "তাই বুঝি? দুষ্টু ছেলে কোথাকার" রমা সোহাগী গলায় রঘুর রোমশ বুকে মুখ ঘোষতে ঘোষতে বলে ওঠে "শেষ মেষ নিজের মাযের সাথে প্রেম করার জন্য পাগল হয়ে উঠলি?" রঘু রমাকে ঠেলে বিছানায় এনে ফেলে রমার চোখের সামনে ছেলের মোটা পুরুষাঙ্গটা লোভনীয় ভঙ্গিমায় দুলতে থাকে "এই লখীটি তোর এই মোটা জিনিসটা আমার ভেতরে ঢোকাবি নাকি?" রমা ছেলের কোলের কাছে ঘেঁষে আসে। রঘু রমাকে বিছানায় ঠেলে বসিয়ে দেয় শাড়িতে ঢাকা পাহাড়ের মত ঠেলে ওঠা মাযের বড়ো দুধ দুটোয় চুমু খায় "আজকে তোমার ব্লাউজ যখন খুলিয়েছি তখন তোমার দুধ খেয়ে ছারবো" "এই নাহ মাযের সাথে এসব করতে নেই এই তো আমি তোরটা আদর করে দিচ্ছি তুই যদি চাস তোরটা নাড়িয়ে নাড়িয়ে তোর ব্যাটাছেলের রসটা বার করে দিচ্ছি তোর খুব ভাল লাগবে" রঘুর হাত টা শাড়ির তলায় ঢুকে গিয়ে থাবার মধ্যে মাযের ভরাট মাংসল স্তন মুচড়ে ধরে প্রচণ্ড আরামে রমা জওয়ান ছেলের শরীরে ঢলে পড়েন "উমম দুষ্টু নিচে ব্লাউজ ছাড়া শুধু শাড়ি পড়া অবস্থায় আমাকে জড়িয়ে ধরে অস্থির হয়ে উঠেছিস বিছানায় একবার আমাকে কাছে পেলে তুই তো পাগল হয়ে উঠবি প্রতি রাতে আমাকে না পেলে তুই থাকতে পারবি না" বার বার স্তন মর্দনে আবেশে শরীরটা জুরিয়ে আসে নিজের ভারী স্তনের উপর টিপতে

থাকা ছেলের হাতটায় আঙুল বুলিয়ে আদর করেন "প্লিস এরকম করে না সোনা, বিছানায় মা কে জড়িয়ে ধরে শুয়ে মাযের দুদু চূষলে হবে না?" রঘু রমাকে ঠেলে বিছানায় চিত করে শুইয়ে দেয় ছেলের মোটা মাসতুলটা রমার তলপেটে শাড়ির ওপর থেকেই চাপ দিতে থাকে ছেলের শরীরটা মাযের পুরুষ্টু শরীরের উপরে উঠে আসে প্রথমে রধু মাযের টসটসে ঠোঁটে চুমু খায় "শুধু শুধু চেষ্টা করছো, আজ তোমাকে না চুদলে আমি থাকতে পারব না আজ আমি আমার মাযের সবটা খাবো এতদিন আমি উপস ছিলাম সব খিদে মিটিয়ে দেবে তবে ছাড়া পাবে" রঘুর হাত টা রমার কাপড়টা ওপরে তুলে দেয় থাইয়ে ঠোকর মারতে মারতে রঘুর ব্যাটাছেলের জিনিসটা রমার গোপন ত্রিভুজের আসে পাশে ভালোবাসার ছোয়া দেয় "আমায় নিতে ইচ্ছা করছেনা তোমার" রঘু মাযের বড়ো দুধের ভাণ্ডে মুখ ঘোষতে থাকে "ইস্স আমি এখন না বললে তুই আমাকে আদর না করে ছেড়ে দিবি বুঝি? রমার চোখে প্রশ্রয়ের হাসি বুকের ওপর থেকে শাড়ি সরিয়ে দিয়ে নিজের বৃহত্‍ আকারের স্তনভার উন্মুক্ত করে দেন বড়ো বড়ো খয়েরি বোঁটা দুটো খাড়া শক্ত হয়ে উঠেছে "আয় দস্যু ছেলে, মাযের বড়ো বড়ো দুদু খাবি আয়। এত মেয়ে থাকতে নিজের মাযের সঙ্গে প্রেম করার জন্য পাগল হয়ে উঠেছে" রঘুর মাথাটা নিজের মাংসল স্তনের পাহাড়ে আদর করে চেপে ধরেন ছেলের তৃষ্ণার্ত ঠোঁট স্তনের বোঁটা সমেত অনেক খানি দুধেলা স্তনের মাংস মুখে পুড়ে চূষতে চূষতে কিছু বোঝার আগেই

রমার গোপন গর্তে লিঙ্গটা ঠেলে ঢুকিয়ে দেয় "উমম দুষ্টু সোনা একটুও তর সয় না বুঝি? "এই বয়সেও তুমি ভীষণ সেক্সি, তোমার ঝুলন্ত ড়াবের মতো বড় বড়ো দুদূতে মুখ দেবার পর আর থাকতে পারলাম না" ছেলের মাথাটা বুকের মধ্যে নিয়ে আদর করতে থাকেন "এই সোনা, বয়সকা মাযের সঙ্গে প্রেম করতে ভাল লাগছে?" "এতদিন তুমি তোমার দুদুতে চেপে ধরে আমাকে আদর করনি কেন?" "ইস্স এতই যদি আমাকে ভালোবাসতে ইচ্ছা করতো, নিজের মা কে কাছে পাবার জন্য মন কেমন করতো তাহলে এই ঘরের মধ্যে আমাকে জড়িয়ে ধরে কিস করার ব্যাপারটা আগেই শুরু করলে পারতিস" "জড়িয়ে ধরে আদর করলেও তোমার দুদূতে হাত দিতে ভয় হতো, ভাবতাম তুমি যদি রাগ করো, তোমাকে যে মাঝে মাঝেই জড়িয়ে ধরে কিস করতাম সেটা বন্ধ্য হয়ে যাবে" "অসভ্য তুই প্রথমবার যখন আমাকে আদর করার সময় আমার দুধ দাবিয়েছিলি আমি ইচ্ছে করেই না বোঝার ভান করে ছিলাম। আমি মনে মনে জানতাম তুই আমার দুদুর ছোয়া পাবার জন্য ছটফট করছিস, জড়িয়ে ধরার সময় আমাকে বুকের মধ্যে চেপে ধরে আমার মেনা দুটোর ঘোসাঘষি হলে তোর খুব ভাল লাগে"। রঘু মাযের ভারী মেয়েলি শরীরটা দু হাতে জড়িয়ে ধরে কোমর তুলে ঠাপাতে থাকে ভেজা ত্রিভুজে ছেলের উদ্যত লিঙ্গটা যতবার ঢুকছে আর বার হচ্ছে রমা গংগাতে থাকে "উমম দুষ্টু ছেলে কিরকম

ডাকাতের মতো মাযের শরীরটা জড়িয়ে ধরে ঠাসছে দেখো মাযের বড়ো বড়ো দুদু থেকে মুখ তুলতেই চায় না" "তোমার আরাম হচ্ছে না?" "মনে হচ্ছে তোমার মতো এত সুখ অন্য কেউ কখনো দিতে পারতো না" উমম, উফ্ফ কতদিন পর ব্যাটাছেলের স্বাদ পেলাম তুই জোরে জোরে আমার দুদু চুষছিস আমার নেশার মতো লাগছে এত আরাম লাগছে সারা শরীর রিম ঝিম করছে" দু পা ফাঁক করে রমা রঘু কে আরো কাছে টেনে নেয় রঘু মাযের ফর্সা খোলা কাঁধে চুমু খায় "আজ থেকে তুমি আমার সাথে শোবে" "ইস্স এই নাহ প্রতিদিন তাহলে তুই আমাকে এভাবে জড়িয়ে ধরে এইসব করবি আর আমি তো প্রাণে ধরে কাউকে বলতেও পারব না যে আমি রাতে শুধু শায়া পড়ে শুই আর আমার জওয়ান ছেলে রাতের বেলায় প্রতিদিন বিছানায় জড়িয়ে ধরে আমার শায়ার দড়ি খুলে শায়াটা নামিয়ে দিয়ে আমার বড়ো দুদু খেতে খেতে আমার শরীরে ব্যাটাছেলের রস ঢালে" "কাউকে বলবে কী করে ঘরের ভিতর এরকম বড়ো বড়ো দুদু দুলিয়ে সেক্সি মেয়েছেলের শরীর নিয়ে ঘুরে বেড়াবে আর জওয়ান ছেলের যদি ইচ্ছে হয় মাযের শরীরটা জড়িয়ে ধরে আদর করতে দুদু চটকাতে মাযের শরীরের স্বাদ নিতে তাহলে দোষের কী আছে? রঘু ঘন ঘন ঠেলা মারতে থাকে "উমম আমার দুষ্টুটা হয়ে এসেছে বুঝি? রমা ছেলের মাথাটা নিজের মাংসল স্তনের পাহাড়ে চেপে ধরে ফিস ফিস করে বলে "এই আমার কিন্তু সবটা ভেতরে চাই বাইরে ফেলে বিছানার চাদরে দাগ না হয়" "উফ্ফ

আমার কিন্তু হয়ে আসছে" রঘু মাযের ভারী স্তনের চারপাশে মুখ ঘোষতে থাকে "উমম আমার সোনা ছেলে" রমা ছেলের মাথাটা নিজের স্তনের পাহাড়ে চেপে ধরে কামনায় থর থর করে কাঁপতে থাকে "আমার দুষ্টুটা, মাযের নরম শরীরের আরামের স্বাদ পেয়ে পাগল হয়ে উঠেছে, এরকম করে না, আমি কী পালিয়ে যাচ্ছি? আজকের পর থেকে রাতের বেলায় আমি তোর সোহাগী বউ হয়ে যাবো ব্যাটাছেলের খিদে মেটাবার জন্য তোকে কোথাও যেতে হবে না" রঘু বুঝতে পারে এখুনি ঝোলকে ঝলকে গরম রসটা বের হবে শরীরটা কেমন করে ওঠে। মাযের পুরুষ্টু মেয়েলি শরীরটা জড়িয়ে ধরে শক্ত হয়ে যায় "ভেতরে ফেললে কিছু হবে না তো?" "ইস্স এতক্ষণ ডাকাতের মত মা কে ঠাপিয়ে এখন জিজ্ঞাসা করছিস? ওসব চিন্তা করতে হবে না নিশ্চিন্তে ভেতরে ঢেলে দে আমি আর থাকতে পারছি না" প্রচণ্ড ধাক্কা দিয়ে রমার ভেতরে রস ঢালতে থাকে। চিত হয়ে শুয়ে থাকা রমা ছেলের শরীরটা জাপটে ধরে গংগাতে থাকে "উফ্ফ আরামে আরামে শরীরটা অবশ হয়ে আসছে অনেক দিন পর কোন ব্যাটাছেলে আমাকে বিছানায় চেপে ধরে ঠাপাল। মাঝে মাঝে মন চাইত ভয় হতো" "আমাকে বলনি কেনো? যখন জড়িয়ে ধরে কিস করতাম তুমি তো মাঝে মাঝে আমার থাইয়ে হাত রাখতে তখনই তো প্যানটের ওপর থেকে আমার যন্তরটায় হাত বুললেই বুঝতে পারতাম তুমিও আমাকে চাইছ" "তুই

আমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করতিস আমি বুঝতাম জড়িয়ে ধরার সময় আমার দুদুর ঘষাঘষি তোর ভাল লাগে বিশেষ করে দু দিন আগে লুঙ্গি পড়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে কতক্ষন আদর করছিলি আমাকে ছারতেই চাইছিলি না এমন কী চুমু খেতে খেতে কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে বললি "তোমার মত একটা বউ পেলে আমার কাউকে লাগবে না" "তুমি লজ্জা পেয়ে বলেছিলে "ধ্যাত অসভ্য আমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করলে ঐসব চিন্তা আসে বুঝি?" "আসলে লজ্জ্বা পেয়েছিলাম তো কথার চেয়ে বেশি তোর লুঙ্গির নিচে ব্যাটাছেলের জিনিসটা আমার তলপেটের নিচে বার বার ধাক্কা মারছিল অনেক দিন ব্যাটাছেলের স্বাদ পাইনি থাইয়ে হাত রেখে ভেবে ছিলাম খপাত করে তোর মাস্তুলটা ধরে বলি মা কে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে আদর করা শুরু হলেই তোর এইটা এত ফুলে ওঠে? তুই যে কতদিন আগে থেকেই নিজের মাযের ব্লাউজ খুলে মাযের দুদু খাবার জন্য অস্থির হয়ে উঠেছিস ঘরের ভিতরেই বয়সকা মাকে জড়িয়ে ভালবাসবার জন্য পাগল হয়ে উঠেছিস বুঝতেই পারিনি"। রমা ছেলের ঠোঁটে ঠোঁট মিশিয়ে চুমু খায়। রমার অল্প চুলে ঘেরা বগলে রঘু মুখ ঘষে "ইস বগলটা ঘেমে গেছে তাতেই দুষ্টুটা মুখ দিচ্ছে" "বিশ্বাস করো আর নাই করো একদিন এত গরম হয়ে উঠেছিলাম ভাবলাম রাতে তুমি তো শুধু শায়া পড়ে শোও, আজ যাই বিছানায় তোমাকে জড়িয়ে ধরে বলি "মামনি তোমার এত্ত বড়ো সাইজের দুদু দুটো আমাকে পাগল করে তুলেছে আর

থাকতে পারছি না তোমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে তোমার দুদু দুটো চুষে খেতে দাও, এই রাতের বেলা ঘরের মধ্যে আমাকে তোমার দুদু চোষালে কেউই জানতে পারবে না, আর বাধা দিলে জোর করে তোমার শায়া টেনে নাবিয়ে দিয়ে তোমার দুদু চুষে ছারবো" রমা ছেলের মাথার চুলটা টেনে নিজের স্তণাভারে চেপে ধরে আদর করতে করতে বলেন "উমম দুষ্টু কোথাকার, সেই তো আমাকে ঢুকিয়ে ব্যাটাছেলের মতো ঠাপিয়ে ঠাপিয়ে মাযের শরীরের ভেতর রস বার করে ছাড়লি" "এটা একদিন না একদিন হতই, ব্রা তো পড়ই না একদিন থাকতে না পেরে তোমাকে ব্লাউজ খুলিয়ে তোমার ঝুলন্ত এই বড় চুচি দুটো টিপতে টিপতে বিছানায় ফেলে তোমাকে ঢোকাতাম তুমি কাউকে বলতেও পারতে না জওয়ান ছেলে মাযের বড়কা সাইজের শাসাল দুদু দেখে আর থাকতে না পেরে নিজের মাকেই জড়িয়ে ধরে ব্লাউজ খুলে দিয়ে কাপড় তুলে ষাঁড়ের মতো চুদে দিয়েছে" রঘু মাযের খোলা স্তনের বড় খয়েরি বোঁটাটা চূষতে থাকে, রমা বুকের ওপর শুয়ে থাকা ছেলের শরীরটাকে দু হাতে জড়িয়ে ধরে সারা পিঠে আঙুল বুলিয়ে আদর করতে থাকে "কী রে মাযের শরীরের ভেতরে আরাম পেয়ে আর ছাড়তে করছে না বুঝি? "উফ্ফ যা সুখ দিয়েছো একবারে তেসটা মেটে? "তারমানে? আবার আমায় করবি না কী? অসভ্য" "কেন তোমার ভালো লাগেনি? আমাকে জড়িয়ে ধরে বার বার কিস করছিলে আর বলছিলে

"আমার সোনাটা কী ভীষণ আরাম দিচ্ছিস সারা শরীর অবশ আসছে" "এই দুষ্টু আমার দুদু চোষাচুষি করতেই তোর যন্তরটা আবার আমার ভিতরে শক্ত উঠেছে আমার মতো বয়সকা মেয়েছেলের শরীরটাকে এত অল্প সময়ের মধ্যে আবার পাবার জন্য তৈরি হয়ে উঠবি আমি ভাবতে পারিনি" "তোমার এততো বড়ো দুধের ক্যান গুলো দেখলেই আমার ডানডাটা খাড়া হয়ে যায়" ছেলের মাথাটা নিজের মাংসল স্তনে চেপে বলেন "উমম দুষ্টু ছেলে তারপর কী করতে ইচ্ছে করে?" "তোমার এই বড়ো দুধের বাঁটে মুখ দিয়ে শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে" "ওমা শুধু মাযের দুদু চূষলে তো ছেলের হবে না মাযের ভেতরে ঢুকিয়ে ব্যাটাছেলের খিদে মেটানো চাই" "কী করবো ব্লাউজ খোলা অবস্থায় তোমায় বিছানায় কাছে পেলে তোমাকে ঢোকাবার ইছাটা কেউ সামলাতে পারবে না" "ও বাহবা তাহলে তো ব্লাউজ খুলে তোর কাছে আসাই যাবে না তাহলেই তুই আমায় বিছানায় ফেলে আমাকে নিজের মোটা ব্যাটাছেলের জিনিসটা ঢুকিয়ে আদর করবি" "প্রথম বার আমাকে যা সুখ দিয়েছো এখন প্রতি রাতে আমার সাথে প্রেম না করে ঘুমাতে পারবে না" রঘু আবার কোমরটা ওঠা নামা করতে থাকে "এই আবার নয় প্লিস" ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সোহাগী গলায় কামনাভরা হাসি হাসেন "আজকে ছেলেকে নিজের দূদূতে চেপে ধরে যে সুখের স্বাদ দিয়েছো ছেলে তোমাকে ভালবাসায় ভরিয়ে দেবে" রঘু মাযের সারা মুখ চুমুতে ভরিয়ে দেয় দু হাতে জড়িয়ে ধরা ছেলের পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে

12


Hero incest storiesMom erotic couplingFrench maid in a chastity belt bondage litertica"hucow literotica"literotica "feel his sperm"son celebrated his birthday with my cunt with his big cock literitica.comWaterbed incest taboo sex storieslyricsmaster sisterafter father died indian son and mom literica/c/taboo-sex-stories/129-page?page=228i feel the heat of your cock between my hips/erotic couplings/literotica.comliterotica rathe pol triss"taboo tumblr"xxprinceanonomousxXDaughter wearing tight shorts incest storiessissy, blackmail, nifty storiesthe villages lynngksliteroticSurprised by the night pimp's insatiable lust - Literotica sex storiesliterotic"literotica massage""pretty pussy"Litrotica.I gently rubbed his undeveloped balls"taboo porn stories"mother is my loveinterest taboo sexstories"literotica cmnf"Black men raping white pussy story on literoticlitertica“irradiatedd” "clothing"Literotica of camp of blessings"fuck me daddy"damsel in distress hard pounding literotica"nude family"Short Litoerotical stories"mind control literotica"litertica sissy cusckholdChad and his grandmother literotica.comMy sex story "comics" mom sit on son laps"family nudist"kmaf literoticakissing my boss lerotica"incest sex stories"Giantess shrinks him she hid him in the crotch of her jeanssshh aahh yeah fuck me spank me bitchwifelovers"literotica cuckold"RED LIPSTICK PRINCESS EROTIC STORY"lesbian sex stories""stories xxx"literotica "boone tallen""taboo sex stories"saree thooki kondi adikum sex videos"fantasy rape stories"'lliterotica tittyfuck saggyjonmartin22 bitingmom Breastfeeding high school lesbian wattpad storylyricsmaster forced incestliterotica emeraAccidental Penetrations taboo storiesPartying with my nephew true fuck stories literotica"cfnm stories"Liteerotica wife led marriagesuuny blue litorica tag"literotica brother sister""wife sex stories"jizzman"pregnant literotica"Mother in handcuff and shackles literticaliterotica.com - mom, sister and me quarantined on ship"free adult stories"